মূল অংশে যান

ওয়ান-অন-ওয়ান মিটিং: সপ্তাহে ৩০ মিনিটে টিমকে এগিয়ে নেওয়া

টিমের সমস্যা হঠাৎ আসে না; আসে ধীরে, চুপচাপ। নিয়মিত ওয়ান-অন-ওয়ান সেই সমস্যাগুলো বড় হওয়ার আগেই সামনে আনে। কাঠামো, প্রশ্ন আর এড়ানোর মতো ভুলসহ।

Growreer সম্পাদকীয় · Growreerবুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর৪ মিনিটে পড়া

ভালো কর্মী সাধারণত হঠাৎ চলে যান না। অসন্তোষ জমে অনেক দিন ধরে: কাজের চাপ, স্বীকৃতির অভাব, শেখার সুযোগ না পাওয়া। ম্যানেজার জানতে পারেন শেষ দিনে। নিয়মিত ওয়ান-অন-ওয়ান মিটিং এই নীরবতা ভাঙার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

এটা কী, আর কী নয়

ওয়ান-অন-ওয়ান হলো ম্যানেজার আর একজন টিম সদস্যের নিয়মিত, ছোট আলাপ। এটা কাজের হিসাব নেওয়ার মিটিং নয়; সেটা হয় টিম মিটিং বা রিপোর্টে। এখানে আলোচনা হয় মানুষটাকে নিয়ে: তাঁর বাধা, অগ্রগতি আর সামনে কী।

কাঠামো: ৩০ মিনিট, তিন ভাগ

  1. ১০ মিনিট, তাঁর বিষয়: কী নিয়ে কথা হবে, ঠিক করবেন টিম সদস্য নিজে। আগের দিন দু-তিনটা পয়েন্ট পাঠাতে বলুন।
  2. ১০ মিনিট, আপনার বিষয়: ফিডব্যাক, অগ্রাধিকারে বদল, প্রতিষ্ঠানের খবর।
  3. ১০ মিনিট, সামনে: তিনি কী শিখতে চান, কোন দায়িত্ব নিতে চান, আপনি কীভাবে সাহায্য করতে পারেন।

পাঁচটা প্রশ্ন, যা সত্যিই কাজে আসে

  • এই সপ্তাহে কোন কাজটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আটকে রেখেছে?
  • আমি কী করলে আপনার কাজ সহজ হতো?
  • সম্প্রতি কোন কাজটা করে সবচেয়ে ভালো লেগেছে?
  • আমাদের কাজের কোন নিয়মটা অর্থহীন মনে হয়?
  • ছয় মাস পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

যে তিনটা ভুল এড়াবেন

  • বাতিল করা: ব্যস্ততায় ওয়ান-অন-ওয়ানই সবার আগে বাদ পড়ে। বারবার বাদ দিলে বার্তা যায়: আপনি গুরুত্বপূর্ণ নন। দরকার হলে ছোট করুন, কিন্তু বাদ দেবেন না।
  • নিজেই বেশি বলা: আপনি বলবেন কম, শুনবেন বেশি। সময়ের বেশিরভাগটা কথা বলুন টিম সদস্য।
  • কথা দিয়ে ভুলে যাওয়া: প্রতিটা মিটিংয়ের শেষে দুই লাইনের নোট রাখুন: কে কী করবেন। পরের মিটিং শুরু হোক সেখান থেকে।

কত ঘনঘন

টিম ছোট হলে প্রতি সপ্তাহে ৩০ মিনিট। বড় টিমে দুই সপ্তাহে একবার। দৈর্ঘ্যের চেয়ে নিয়মিত হওয়া বেশি জরুরি।

এই সপ্তাহের কাজ: আগামী দুই সপ্তাহে টিমের প্রত্যেকের সাথে একটা করে ৩০ মিনিটের ওয়ান-অন-ওয়ান ক্যালেন্ডারে বসান, আর শুরু করুন ওপরের প্রথম প্রশ্নটা দিয়ে।

আরও পড়ুন