ভালো কর্মী সাধারণত হঠাৎ চলে যান না। অসন্তোষ জমে অনেক দিন ধরে: কাজের চাপ, স্বীকৃতির অভাব, শেখার সুযোগ না পাওয়া। ম্যানেজার জানতে পারেন শেষ দিনে। নিয়মিত ওয়ান-অন-ওয়ান মিটিং এই নীরবতা ভাঙার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
এটা কী, আর কী নয়
ওয়ান-অন-ওয়ান হলো ম্যানেজার আর একজন টিম সদস্যের নিয়মিত, ছোট আলাপ। এটা কাজের হিসাব নেওয়ার মিটিং নয়; সেটা হয় টিম মিটিং বা রিপোর্টে। এখানে আলোচনা হয় মানুষটাকে নিয়ে: তাঁর বাধা, অগ্রগতি আর সামনে কী।
কাঠামো: ৩০ মিনিট, তিন ভাগ
- ১০ মিনিট, তাঁর বিষয়: কী নিয়ে কথা হবে, ঠিক করবেন টিম সদস্য নিজে। আগের দিন দু-তিনটা পয়েন্ট পাঠাতে বলুন।
- ১০ মিনিট, আপনার বিষয়: ফিডব্যাক, অগ্রাধিকারে বদল, প্রতিষ্ঠানের খবর।
- ১০ মিনিট, সামনে: তিনি কী শিখতে চান, কোন দায়িত্ব নিতে চান, আপনি কীভাবে সাহায্য করতে পারেন।
পাঁচটা প্রশ্ন, যা সত্যিই কাজে আসে
- এই সপ্তাহে কোন কাজটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আটকে রেখেছে?
- আমি কী করলে আপনার কাজ সহজ হতো?
- সম্প্রতি কোন কাজটা করে সবচেয়ে ভালো লেগেছে?
- আমাদের কাজের কোন নিয়মটা অর্থহীন মনে হয়?
- ছয় মাস পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
যে তিনটা ভুল এড়াবেন
- বাতিল করা: ব্যস্ততায় ওয়ান-অন-ওয়ানই সবার আগে বাদ পড়ে। বারবার বাদ দিলে বার্তা যায়: আপনি গুরুত্বপূর্ণ নন। দরকার হলে ছোট করুন, কিন্তু বাদ দেবেন না।
- নিজেই বেশি বলা: আপনি বলবেন কম, শুনবেন বেশি। সময়ের বেশিরভাগটা কথা বলুন টিম সদস্য।
- কথা দিয়ে ভুলে যাওয়া: প্রতিটা মিটিংয়ের শেষে দুই লাইনের নোট রাখুন: কে কী করবেন। পরের মিটিং শুরু হোক সেখান থেকে।
কত ঘনঘন
টিম ছোট হলে প্রতি সপ্তাহে ৩০ মিনিট। বড় টিমে দুই সপ্তাহে একবার। দৈর্ঘ্যের চেয়ে নিয়মিত হওয়া বেশি জরুরি।
এই সপ্তাহের কাজ: আগামী দুই সপ্তাহে টিমের প্রত্যেকের সাথে একটা করে ৩০ মিনিটের ওয়ান-অন-ওয়ান ক্যালেন্ডারে বসান, আর শুরু করুন ওপরের প্রথম প্রশ্নটা দিয়ে।